জননিরাপত্তা ও শৃংখলা
- সরকার, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও ডিএমপির সহায়তায় জননিরাপত্তার প্রশ্নে সিটি কর্পোরেশনের কার্যসম্পাদন ও কর্তৃত্ব বলবৎ করার জন্য শহর পুলিশ বাহিনী গঠন করা হবে।
- প্রতিটি ওয়ার্ডে অরাজনৈতিক ও নিরপেক্ষ ব্যক্তিদের অন্তর্ভূক্ত করে নাগরিক কমিটি গঠন করা হবে। শহর পুলিশ এই নাগরিক কমিটির সাথে সম্পর্কিত থেকে কমিটিকে কর্তব্য পালনে সহায়তা করবে।
- নাগরিক কমিটি সালিসি ব্যবস্থার পুনরুজ্জীবন ও নবায়নের মাধ্যমে ছোট ছোট বিরোধ-নিষ্পত্তিতে সহায়তা করবে।
- ছোটখাটো দাবি, জননিরাপত্তা ও জনআপদমুলক (Public nuisance) ঘটনার নিষ্পত্তি করতে প্রতিটি ওয়ার্ডে অভিযোগ ও বিচারিক আদালত স্থাপন করবে।
- শহর পুলিশ ছাড়াও, নগরীর সহিংস অপরাধের ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনার লক্ষ্যে প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে ডিএমপির সাথে পারস্পরিক তথ্য আদান প্রদানের জন্য সিটি কর্পোরেশন ডিএমপি'র সাথে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ বজায় রাখবে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ পুলিশের সাথে উন্নততর যোগাযোগ ও সমন্বয় রক্ষার সুবিধার্থে সিটি কর্পোরেশন কার্যালয়ে একজন অতিরিক্ত আইজি সমকক্ষ কর্মকর্তার দপ্তর স্থাপনের ব্যবস্থা করা হবে।
- সিটি কর্পোরেশনে কর্তব্যে নিয়োজিত অতিরিক্ত আইজিপিও ও ডিএমপির সহযোগিতায় অত্যন্ত উন্নতমানের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত একটি গোয়েন্দা পুলিশ দল গঠন করা হবে। এই প্রতিষ্ঠানের কর্তব্য হবে নগরের বিভিন্ন লোকালয়ে মাদক বিক্রেতাসহ বিভিন্ন অপরাধী চক্র যেমন ছিনতাই চক্র, সন্ত্রাসী গ্রুপ, অস্ত্রধারী ও গোলযোগসৃষ্টিকারীদের কার্যকলাপের ওপর তীক্ষ্ম নজর রাখা। ডিএমপি পরবর্র্তী অনুসৃতিমুলক (Follow-up) কার্যব্যবস্থা গ্রহণ ও আইনভঙ্গকারীদেরকে অভিযুক্ত করবে।







